মনিটরের যত্নে হেলাফেলা নয়

কম্পিউটার বা ল্যাপটপের মুখচ্ছবি বলা যায় মনিটরকে। ডিভাইসের সব ফিচারের জারিজুরি প্রকাশিত হয় মনিটরের মাধ্যমে। তাই এটির যত্নে দিতে হবে বিশেষ নজর।

তা না হলে দীর্ঘদিন ব্যবহারে কম্পিউটারের মনিটর নিয়ে ঝামেলায় পড়তে হতে পারে। মনিটর ঝামেলা করলে কোনোভাবেই ডিভাইসের সর্বোচ্চ ফিচার ব্যবহার করা যাবে না। এমন ক্ষেত্রে নতুন মনিটরের খোঁজে নেমে পড়তে হয়, না হয় সার্ভিস সেন্টারে দৌঁড়াতে হয়।

কিছু কৌশল জানা থাকলে অবশ্য মনিটরের অনেক ছোটখাটো সমস্যা সহজেই সমাধান করে নেওয়া যায় ঘরে বসেই। মনিটরের যত্নে কিছু টিপস তুলে ধরা হলো আজকের টিউটোরিয়ালে।

মনিটরে ময়লা বা ধুলোবালি জমলে সব সময় তা পরিষ্কার করতে হবে। এ জন্য সাধারণত নরম কাপড় বা সুতির গামছা ব্যবহার করা ভালো। নরম টিস্যুও এ ক্ষেত্রে কার্যকরি। বাজারে মনিটর পরিষ্কারের জন্য লিকুইড ক্লিনার পাওয়া যায়।

তুলা বা পরিষ্কার নরম সুতি কাপড়ে কয়েক ফোটা ক্লিনার নিয়ে মনিটর মুছে পরিষ্কার করা যায়। মনিটরের পরিচর্যায় অর্থাৎ পরিষ্কার করার সময় কোনোভাবেই ভেজা কাগজ বা স্যাঁতসেঁতে কাপড় ব্যবহার করা যাবে না। স্ক্রিনে অনেক সময় ময়লা জমে শক্ত হয়ে লেগে যায়।

এসব ক্ষেত্রে হাতের নখ বা শক্ত কিছু দিয়ে খুঁচিয়ে ময়লা তোলা থেকে বিরত থাকুন। ভেজা নরম সুতি কাপড় দিয়ে আলতোভাবে সেটি পরিষ্কার করে নিতে হবে। বর্তমানে বেশিরভাগ মনিটর ফ্ল্যাট স্ক্রিনের।

এরপরও অনেকের বাসায় পুরাতন সিআরটি মনিটর থাকতে পারে। যারা এখনও সিআরটি মনিটর ব্যবহার করেন তারা জেনে থাকবেন এগুলোর স্ক্রিন কাঁচের হয়ে থাকে। এ কাঁচের স্ক্রিন রেশম, ভেলভেট বা ভেজা কাপড় দিয়ে মোছা যাবে না।

আরো কিছু পোস্ট

এ জন্য নরম সুতি কাপড় ব্যবহার করতে হবে। মনিটরের কাছে ধারালো বা ছুঁচালো কোনো বস্তু রাখবেন না, কারণ সামান্য খোঁচা বা আঁচড়েই বড় ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। অনেক সময় কম্পিউটার চালু হলেও ডিসপ্লে দেখা যায় না। সেক্ষেত্রে মনিটরের ভিজিএ বা এইচডিএমআই ক্যাবল পরিবর্তন করে নেওয়া যেতে পারে।

বাজারে ক্যাবলগুলোর দাম সাধারণত ৪০০ টাকা থেকে শুরু হয়েছে। এ ছাড়া, মনিটরে বড় কোনো সমস্যা দেখা দিলে কম্পিউটার সার্ভিসিংয়ের দোকানগুলোতে নিয়ে যেতে পারেন।